২৫, মে, ২০১৮, শুক্রবার | | ১০ রমজান ১৪৩৯

সিরাজগঞ্জের মেয়ে বাকওশ্রবন শক্তি হারানো প্রতিবন্ধীর ঘরে আলো

আপডেট: মে ১৩, ২০১৮

সিরাজগঞ্জের মেয়ে বাকওশ্রবন শক্তি হারানো প্রতিবন্ধীর ঘরে আলো

মোঃ আব্দুর রহমান:জন্মের পর টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাক ও শ্রবন শক্তি হারানো প্রতিবন্ধী, মোছা;তাহেরা খাতুন (তন্নী),এবারের (এস এস সি)পরিক্ষায় অংশ নিয়ে সিরাজগঞ্জ সদরের ছাতিয়ান তলী,(বি এম)টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থোকে জিপি- এ-৪,৬১পেয়ে পাস করেছে সে।প্রতিবন্ধী সন্তানের এমন সাফল্যে তার পরিবার ও আত্বিয় স্বজনরা খুব আনন্দো মুখোর ভাবে সভাই উক্ত মেয়ে মোছা:তাহেরা খাতুন (তন্নীর)ভবিস্যত উজ্জল হয় সেই কামনাই তাহারা করেন,তার পরিবার সুত্রে যানাযায়(১৯৯৯)-সালে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের,ঝাকড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহন করে (তন্নী),জন্মের তিন বছর পর সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাক ও শ্রাবন শক্তি হারিয়ে ফেলে।পরিবার থেকে দেশে অনেক উন্যত চিকিৎসার আসায় চিকিৎসা করেও কোন সুফল না পেয়ে উন্নত চিকিৎসা র আসায়,পিতা:সাধারন ব্যবসায়ী মোঃ জ্যেতিয়ার রহমান,তার মেয়ের সুস্ততার জন্য ভারত বর্ষের সবচেয়ে বড় হাসপাতালেও দীর্ঘ দিন চিকিৎসা করেও কোন সুফল পায়নি,অন্যথায় পড়ে আবার (তন্নীকে)বাংলাদেশে তার নীজ বাড়ীতে ফিড়িয়ে আনে কিন্তু এমন শ্রবনশক্তি হারানো মেয়ের এমন সাফল্যে সাধারন ব্যাবসায়ি,উক্ত মেয়ের বাবা মোঃ জ্যেতিয়ার রহমান ও আত্বিয় সজ্বনরা সভাই খুব আনন্দিত। সেই সাথে সবার কাছে তার মেয়ের জন্য দোয়া ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন আমার মেয়ের কথায় আমরা আরো আনন্দিত যে আমার অসুস্থ মেয়ে খুশিতে আত্ব হারা হয়ে বলেন আৃি আরো উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সভার মিখ উজ্জল করতে চাই।সর্বপুরি(তন্নীর)স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন আমাদের এই স্কুলের এবারের এস এস সি,পরিক্খার্থিদের মধ্যে উক্ত অসুস্থ মেয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে সমস্ত পরিক্ষার্থিদের মধ্যে সর্বচ্চ রেজাল্ট করেছে,জিপি-এ-৪,৬১ পয়েন্ট পেয়েছে, আমরা সবাই ঔ ছাত্রির দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামুনা করছি।