সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের পুরানধুঞ্চি গ্রামের এক অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনাটি ঘটে।
ধর্ষিতা মেয়েটি জানায়, প্রায় ১ মাস আগে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের চর বড়ধুল গ্রামের বেল্লাল প্রামাণিক তার কলেজ পড়ুয়া ছেলে রাজিব প্রামাণিক’কে (২০) সাথে নিয়ে তাদের বাড়ির পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের রঙের কাজ করতে আসে। সেই সুবাদে রাজিবের সাথে তার পরিচয় হয়।
তারপর থেকেই রাজিব প্রায়ই তাকে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি আরো জানায়, রোববার রাতে সে তার এক ভাবির সাথে গ্রামে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিল শুনতে যায়। রাত ১১টার দিকে রাজিব সেখানে হাজির হয়ে তাকে জানায় যে তার মা তাকে দেখতে চেয়েছে। সে সরল বিশ্বাসে তার মটরসাইকেলের পিছনে উঠলে তাকে বড়ধুল হাটখোলার পাশের একটি স্কুলের সামনের মুদি দোকানে নিয়ে যায়।
সেখানে তাকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে সে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে বড়কুড়া ব্রিজের কাছে ফেলে রেখে রাজিব পালিয়ে যায়। পরে তার আত্নীয় স্বজন সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিয়ে ভর্তি করে।
ধর্ষিতার চাচা জানান, ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে রাজিবের বিরুদ্ধে কামারখন্দ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেলে এটি ধর্ষণ মামলা হিসেবে রজু হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই রাজিব ও তার পরিবার ঘরে তালা দিয়ে আত্নগোপনে রয়েছে। তবে রাজিব সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি কারিগরি কলেজের ছাত্র বলে জানা যায়।
এ প্রসঙ্গে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এমন ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। এ বিষয়ে মেয়েটির বাবা ধর্ষণ চেষ্টার একটি অভিযোগ করেছে।
বার্তাবাজার/কেএ