একদিকে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর অভিযান অন্যদিকে নতুন নতুন উপায় বের করছে চোরাচালানকারীরা। এবার রাজধানীতে গাড়ির পেছনের ব্যাক লাইট থেকে পাওয়া গেল ইয়াবা।
সাংবাদিক পরিচয়ে অভিনব উপায়ে মাদক সরবরাহকারী চক্রের ৩ সদস্যকে আটকের পর বেরিয়ে আসে নানা তথ্য। তবে চক্রের মূল হোতা এখনো পলাতক।
গাড়ির পেছনের ব্যাক লাইটের ভেতরে থরে থরে সাজানো ইয়াবা। বিলাস বহুল গাড়িতে অভিনবও কায়দায় এভাবেই মাদক পাচার করতো একটি চক্র। যে চক্রের মূল হোতা মোবারক। রোববার রাজধানীর দক্ষিণ খান এলাকা থেকে, ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গাড়িটি জব্দ করে পুলিশ। এরপরই বেরিয়ে আসে মোবারকের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তথ্য।
পুলিশ জানায়, একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের স্টিকার লাগিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে গাড়িটি মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহার করে আসছিল মোবারক ও তার সহযোগীরা। তার ফেসবুক আইডি থেকে বেরিয়ে আসে সাংবাদিক পরিচয়ে তার বিভিন্ন পোস্ট।
গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের উপ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, ইয়াবা যেই বহন করুন, সাংবাদিক হোক কিংবা বিচারক হোক। এখানে আপত্তি জানানোর সুযোগ নেই। সে তো একজন বাজে মানুষ, তা না হলে এ ব্যবসা করতেন না। সে বিদেশে আছে তাতে কী। সে যদি বাংলাদেশে আসে তাহলে তো তাকে ধরা পড়তেই হবে।
আটকরা জানায়, মোবারকের হয়ে ইয়াবাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিতেন তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের চোরাচালান বন্ধে রাজধানী জুড়ে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মশিউর রহমান বলেন, আমাদের চোখ ফাঁকি দিতে পেটে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মাদক সরবরাহ করেন। আবার কখন সাংবাদিক পরিচয় এবং ভুয়া বিচারক পরিচয় সরবরাহ করেন। তাই আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একইদিন সায়েদাবাদ এলাকায় গ্রিন লাইন বাস চালকের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ৬ হাজার পিস ইয়াবা। এ মাদকদ্রব্যগুলো চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে চালক আশারফুল মিয়া।
বার্তাবাজার/এমকে