বগুড়ার শেরপুরে সিংহের শিমলা গ্রামে প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানের মারপিটের বিচার না পেয়ে গৃহবধু মমতা(৪৫) গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার করে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরপুর থানার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের সিংহের সিমলা গ্রামের আলতাব শেখের স্ত্রী মমতা বেগমের ছাগল হঠাৎ করে প্রতিবেশী মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে আব্দুল মান্নানের বাড়ি গেলে ছাগলগুলোকে মারধর করে। এ কথা মান্নানকে বলতে গেলে সে উত্তেজিত মমতা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এরই এক পর্যায়ে গত সাত দিন আগে আবারো ছাগল তার বাড়িতে গেলে পুনরায় ছাগলকে মারধর করতে থাকে। এ সময় খবর পেয়ে মমতা বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে। এ ঘটনায় সিমাবাড়ি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য জামাল উদ্দিনের কাছে বিচার চাইলে সে বিচার করতে ব্যার্থ হয়। মরপিটের বিচার না পেয়ে মনের দুঃখে গত বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরলে আব্দুল মান্নান তার পরিবার এমনকি গরু ছাগল নিয়ে পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মমতা বেগমের স্বামী আলতাব সেখ বাদি হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
এ ব্যাপারে বর্তমান ইউপি সদস্য বাবু পাল বলেন, আমি বিচার দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাদের মধ্যে পুনরায় গোলমাল হওয়ায় সে আত্মহত্যা করে।
সাবেক ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, মারপিটের ঘটনায় আমার কাছে বিচার চেয়েছিল। কিন্তু আমার ভাগিনা মান্নান কথা না শোনায় আমি বিচার করতে পারি নাই। তবে তাদের বলেছি তোমরা যেখানেই বিচার চাও আমি তোমাদের সাথে থাকব।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে সত্য ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।