‘পাগল মন’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হওয়া ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা মেহেদী। আলোচনার থেকে সমালোচনায় বেশি থেকেছেন তিনি। একসময় অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন চলচ্চিত্র জগতে। বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সময় সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয়। আর ‘অন্ধকার যুগ শেষ হবার সাথে সাথে ময়ূরী, মুনমুনের সাথে হারিয়ে যান এই অভিনেতাও। কি করছেন তিনি এখন? সম্প্রতি এফডিসিতে এসেছিলেন মেহেদি। সেখানেই জানালেন তিনি এখন কী করে জীবিকা নির্বাহ করছেন?
জানালেন তাদের পুরান ঢাকায় ব্যবসা রয়েছে। রয়েছে মতিঝিলে পেট্রোল পাম্প। এসবের বাইরেও এই অভিনয় নিয়েই আগ্রহ তাঁর। বিয়ে করেছেন পুরান ঢাকার মেয়ে ফারজানাকে। স্ত্রী হাউজওয়াইফ। মেহেদি-ফারজানার ঘরে রয়েছে দুই সন্তান। ছেলে মাজহারুল হক মাহির বয়স ১০, মেয়ে মেহজাবিন হক ইশরাতের বয়স ৮। সংসার জীবনে মেহেদি সুখি বলেই জানালেন। অতীত প্রসঙ্গে মেহেদি বলেন, ‘আমরা কমার্শিয়াল ছবিগুলোতে অভিনয় করতাম। হ্যাঁ আমরা কিছুটা উত্তেজক দৃশ্যতে অভিনয় করেছি কিন্তু ব্যাপকভাবে ‘কাটপিস’ যুক্ত করে সেই সময়টাকে অশ্লীল যুগ বানানো হয়েছে। যারা এসব করতো তাদেরকে তো কেউ অভিযুক্ত করে না। আমরা অভিনয় করে চলে আসতাম, এরপর একটা গানের দৃশ্যে কিংবা কোনো রোমান্টিক দৃশ্যে সমন্বয় রেখে ‘কাটপিস’ জুড়ে দেওয়া হতো। আর এসবের দায়ও আমাদের ঘাড়ে চলে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের জানার কথা। তবে এটা জানি কাকরাইলে প্রকাশ্যে ১০ হাজার টাকা করে কাটপিস বিক্রি করা হতো। ছবির নির্মাতা, প্রযোজকরা সেসব কিনে স্কেচ টেপ দিয়ে সেলুলয়েডে যুক্ত করতেন। কাকরাইলে এই ঘটনা তো ওপেন সিক্রেট বিষয় ছিল। তবে আমি যখন বাংলা ফিল্মে একদম এসব ঢুকে পড়ছে। অনেক অভিনেতা ক্যামেরার সামনে সব করছে তখন আমি ফিল্ম ছেড়ে দেই। আমি ফিল্ম ছেড়ে দেওয়ার পর অনেক নামের নায়ক-নায়িকা এসেছেন যারা কাপড়ের ধার ধারতেন না।’
বার্তাবাজার/কে.জে.পি