শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে পাকুন্দিয়াবাসী

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। সকাল থেকে বেলা দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। হতদরিদ্র লোকজন প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাজের সন্ধানে যেতে পারছে না।

স্বাভাবিক কাজকর্মেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে। এটা এ মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ। সারাদেশের সঙ্গে পাকুন্দিয়া বইছে হিমহিম শীতের বাতাস। হাড় কাঁপিয়ে দেওয়া বাতাসে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। শীতে কাবু করে দিয়েছে পুরো উপজেলাবাসীকে।

শীতল বাতাসের কারণে ক্রমেই বাড়ছে শীত। অনেকেই শীত নিবারনে বাড়ির আঙ্গিনায় খরকুটা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। শীত আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা সাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো : হাসিবুর সাত্তার বলেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগবালাইও বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসতন্ত্রজনিত বিভিন্ন রোগ। এতে জ্বর-ঠাণ্ডা, অ্যাজমা, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়ার (রোটা ভাইরাস আক্রান্ত) মতো রোগ বেড়ে গেছে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। পাশাপাশি বয়স্কদের ধুমপানের কারণে শ্বাসকষ্ট (COPD) অ্যাজমা টাইপের রোগ বেড়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসগামী মানুষ তুলনামূলক দেরিতে বেরিয়েছেন। রাস্তায় অন্য দিনের তুলনায় যানবাহনও কম। গরম কাপড়েও যেন মানছে না শীত। দোকানপাট খোলা হচ্ছে দেরিতে। হোটেল-রেস্তোরাগুলোতেও মানুষের উপস্থিতিটা অনেক কম। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও পড়েছে বিপাকে।

পৌর শহরের শাহজালার গার্মেন্টস এর আপেল মাহমুদ জানান, বেশি শীতের কারণে লোকজন বাজারে দেরিতে আসে। গত দুই দিনে শীত কাপড় ছাড়া অন্য কাপড় বিক্রয়ও অনেক কমে গেছে।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর