সম্মেলনকে ঘিরে সারাদেশেই দলটির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনে সব মিলিয়ে ৫০ হাজার কাউন্সিলর, ডেলিগেটস ও নেতাকর্মী অংশ নেবেন।
ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন। এবারের সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন সাত হাজারের বেশি কাউন্সিলর ও এক হাজারের বেশি ডেলিগেট। কাউন্সিলরদের ভোটেই নির্বাচিত হবে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে হবে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন।
২১তম জাতীয় সম্মেলনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এবারের সম্মেলনে অতিথি হবেন ৭ হাজার ৩৩৭ জন কাউন্সিলর ও ১৩’র বেশি ডেলিগেট। থাকবেন আমন্ত্রিত অতিথিরাও। সকাল থেকেই খুলে দেয়া হবে সম্মেলনস্থল। জুম্মার নামাজ আদায় ও দুপুরের খাবারের পর এখানেই শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান।
ধানমণ্ডিতে দলীয় সভাপতির কার্যালয়ের জেলাভিত্তিক বুথ থেকে পাওয়া কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরাই সম্মেলনের প্রাণ। কিন্তু কারা হবেন কাউন্সিলর। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র বলছে,
১. প্রত্যেক মহানগর ও জেলার প্রতি ২৫ হাজার জনসংখ্যার জন্য একজন করে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন।
২. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের কর্মকর্তাসহ সদস্যরা পদাধিকার বলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হবেন।
৩. সহযোগী সংগঠনের নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হিসেবে মনোনীত হবেন।
এছাড়া আওয়ামী লীগের যেকোন শাখার প্রাথমিক সদস্য এমন ১০০ জনকে কাউন্সিলর হিসেবে কো-অপট করে নেয়া যাবে।
সম্মেলনের ডেলিগেটদের বিষয়ে গঠনতন্ত্রে বলা হয়েছে, সকল জেলা ও মহানগর নির্বাচিত কাউন্সিলরের সমসংখ্যক ডেলিগেট পাঠাতে পারবেন। দুই দিনের সম্মেলনের উদ্বোধনীপর্বে তারা থাকলেও কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে কেবল কাউন্সিলররাই অংশ নেবেন। তাদের ভোটাভুটিতেই নির্বাচিত হবে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব। এরই মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত করা হয়েছে দরের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি