সিরাজগঞ্জে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে গোটা জনপদ। গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধসহ নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষ। কনকনে ঠাণ্ডার সাথে হিমেল হাওয়া ঠাণ্ডার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত থেকে এই শীত ও কুয়াশার প্রভাব বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট হাট-বাজারে শীত নিবারণের কাপড় কেনারও হিড়িক পড়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। এ কারণে দিনভর মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এতে যেকোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
এদিকে তীব্র শীতে জেলার চর ও দূর্গম অঞ্চলের গরিব ও অসহায় পরিবারের লোকজনের এখন প্রায় কাহিল অবস্থা। জেলা উপজেলা শহরগুলোতে জন সমাগম ছিল খুবই কম।
এদিকে পৌষের এই শুরুতে যখন সিরাজগঞ্জে ছিন্নমুল মানুষ শীতে কাঁপছে ঠিক সেই সময় মধ্যরাতে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন সিরাজগঞ্জ’র জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ।
তিনি বুধবার রাত ১২ টার দিকে সিরাজগঞ্জের ৩টি রেলস্টেশনের প্লাটফর্মে ঘুমিয়ে থাকা শতাধিক শীতার্থদের জাগ্রত করে তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফিরোজ মাহমুদ বলেন, প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে জেলার ৯টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রায় ৫৪ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এসব কম্বল দুঃস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আরো ৫০ হাজার কম্বল বরাদ্ধ চাওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস