তিতাসে খাস জায়গা উদ্ধার, প্রতিপক্ষের দাবি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাংচুর

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের আবেদনে সরকারী খাস জায়গা উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রতিপক্ষের দাবি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান প্রশাসন দিয়ে আমার বাড়ির সিমানা প্রাচির ভাংচুর করিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকালে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ওই গ্রামের সাবেক মেম্বার সাইফুল ইসলাম একই গ্রামের মোসলেম ,আনু মিয়া,শান্তি বেগম,দাউদ হোসেন,বকুল নেছা,আলতাব আলী ও শাহ আলমের কাছ থেকে -১২৪১৬ দাগে ১৩ শতক,১২৪১৭ দাগে ৯ শতক এবং ১২৭৩৬ দাগে ২৩ শতকের অন্দরে সাড়ে ১১শতক মোট সাড়ে ৩৩ শতক বাড়ী ও ডোবা ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে ৩০ বছর ধরে ভূমিটি ভোগ দখল করে আসছে এবং সিমানা প্রাচির নির্মাণ করেছে। সাইফুল ইসলাম মেম্বারের বাড়ির দুই পাশে অনেকেই খাস জায়গা দখল করে আছে কিন্তু ওইসব খাস জ্ায়গা উদ্ধার না করে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ব্যাক্তি বিরোধের প্রতিশোধ নিতে সাইফুল মেম্বারের জায়গার উপর অভিযোগ করে বাড়ির সিমানা প্রাচির ভাংচুর কেিয়ছে। এবিষয়ে সাইফুল ইসলাম মেম্বার বলেন আবু চেয়ারম্যানের সাথে দীর্ঘদিন ধরে আমার বিরোধ চলে আসছে তারই জের ধরে বিরোধরে প্রতিশোধ নিতে উদ্দেশ্য প্রণোধিত হয়ে আমার জায়গার উপর অভিযোগ দিয়ে আমার বাড়ির সিমানা প্রাচির ভাঙ্গীয়েছে।

তিনি আরো জানান একই গ্রামের মোসলেম ,আনু মিয়,শান্তি বেগম,দাউদ হোসেন,বকুল নেছা,আলতাব আলী ও শাহ আলমের কাছ থেকে -১২৪১৬ দাগে ১৩ শতক,১২৪১৭ দাগে ৯ শতক এবং ১২৭৩৬ দাগের ২৩ শতকের অন্ধরে সাড়ে ১১শতক মোট সাড়ে ৩৩ শতক বাড়ি ও ডোবা ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে সিমানা প্রাচির নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছি এবং কি আমার বাড়ির দুই পাশে অনেকেই সরকারী খাস জায়গা দখল করে ইমারত নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তাদের কোন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি এবংকি আমাকেও উচ্ছেদ করার নোটিশ করা হয়নি।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা বলেন খাস জায়গার উপর সিমানা প্রাচির নির্মাণ করায় রাস্তাটি শরু হয়ে গেছে তাই স্থানীয়দের অভিযোগের বিত্তিতে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করলে নির্বাহী অফিসার তদন্ত করে রাস্তাটি প্রশস্ত করার লক্ষে এবং জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে সিমানা প্রাচিরটি ভেঙ্গে দেয়। উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আনিসুর রহমান বলেন সিমানা প্রাচিরটি রাস্তার উপর ছিল তাই আমরা ভেঙ্গে দিয়েছি,অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বলেন আমি কাজ করতেছি অফিসে আসেন । এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার বলেন যেই টুকু জায়গা উচ্ছেদ করা হয়েছে শুধু এই জায়গার উপরই অভিযোগ ছিল,তাই টুকুই উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর