বঙ্গবন্ধু রাজাকারদের বিচার শুরু করেছিলেন আর জিয়াউর রহমান তা বাতিল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি। জিয়াউর রহমানের বাতিল করা আইন সচল করে রাজাকারদের বিচারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ ল্যাবরেটোরিজের আয়োজনে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানতে শুরু করেছে, কোনো ষড়যন্ত্রই আর বাংলাদেশকে পেছনে ফেলতে পারবে না। অনুষ্ঠানে হামদর্দ ল্যাবরেটোরিজের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্যরা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন ১৯৭৫ সালে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন তখন ১১ হাজার কোলাবোরেটর (রাজাকার) জেলখানায় আটক ছিল। ৭৩টি ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচার চলছিল। তাদের মধ্যে আদালতে ২২ জনের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। একজন চিকন আলীর ফাঁসি হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আদালতে ৫৮ জনের যাবজ্জীবন হয়েছিল, ৭৫২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫ সালে কোলাবোরেটর অ্যাক্ট বাতিল করে দিয়েছিলেন। সবাইকে জেলখানা থেকে ছেড়ে দিয়েছেন। যারা বিচারাধীন ছিলেন কিংবা যাদের বিচার হয়েছিল তাদেরও ছেড়ে দিয়েছিলেন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি