ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ২০ জনে।
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সোহাগের (১৯) মৃত্যু হয়।
বার্ন ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, দুপুরে সোহাগ (১৯) মারা যায়। তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস দিয়ে রাখা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম শ্বাস দিয়ে আরও ৫ জনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের এইচডিইউতে ৮ জন ভর্তি রয়েছেন। তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন।
সোহাগের বড় ভাই সাজু জানান, তাদের বাড়ি জামালপুর মেলান্দহ উপজেলায়। সোহাগ এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ করে ৩ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে কারখানায় চাকরি নিয়েছিল। সে দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বড় ভাই রিকশা চালান। তিনি ছোট্ট একটি চাকরি করেন। পড়াশোনার খরচ জোগাতে সোহাগ ঢাকায় আসে।
১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার হিজলতলী এলাকায় ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক’ নামের ওই কারখানায় আগুন লাগে। ঘটনাস্থলেই মারা যান একজন।