ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় নামার কারণে এক ছাত্রকে টেনে এনে বেধড়ক পেটাচ্ছে পুলিশ। বন্ধুকে এভাবে পেটানো মেনে নিতে পারেননি ছাত্রীরা। সে সময় পুলিশের লাঠির ঘা থেকে বাঁচতে সরে যাননি তারা।
বরং মারতে উদ্যত পুলিশের সামনেই রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তারা। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীদের সাহসিকতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারতে চলছে বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন নয়াদিল্লির জামিলা মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের ভিতর ঢুকে জামিয়ার শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠি চালানোর অভিযোগ ওঠে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে।
ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায়, একজন ছাত্র ও বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে। পুলিশের লাঠি চালানোর মধ্যেই তারা একটি বাড়িতে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু একদল পুলিশ বাড়ির সামনে থেকে কলার ধরে বের করে আনেন ওই ছাত্রকে। তারপর মাটিতে ফেলে মারতে থাকেন লাঠির বাড়ি। সে সময় ওই ছাত্রীরা এসে ঘিরে ধরেন তাদের বন্ধুকে। পুলিশকে বিরত করতে উদ্যত হন। তাদের প্রতিরোধই ওই ছাত্রকে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা করে।
How to rescue a victim during a #lynching incident.
Real life demo by women students of #Jamia— Natasha Badhwar (@natashabadhwar) December 15, 2019
বার্তাবাজার/কেএ