তিনি একসময় ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম পেস অস্ত্র ছিলেন। ফর্ম হারিয়ে সেই যে ছিটকে গেলেন, আর কখনই ডাক আসেনি জাতীয় থেকে। ২০০৮ থেকে ২০১১ সালের মাঝেই শেষ হয়ে গেছে তার ক্যারিয়ার। ভারতের সাবেক পেসার প্রভীন কুমারকে মনে করতে পারছেন? বহুদিন দলে ডাক না পাওয়ার হতাশায় গত বছর সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন। এবার তিনি খবরের শিরোনাম হলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে। নিজের প্রতিবেশী ও তার ছেলেকে মাতাল অবস্থায় মারধর করেছেন প্রভীন!
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দীপক শর্মা নামের ওই প্রতিবেশী এবং তার ৭ বছরের ছেলে প্রভীনের দ্বারা মারধরের শিকার হয়েছে। দীপক শর্মা অভিযোগ হয়েছে, ‘আমি সেদিন বেলা তিনটার দিকে আমার ছেলের জন্য বাসস্টপে অপেক্ষা করছিলাম। তখন হুট করেই ও আমাদের দিকে চলে আসে। নিজের গাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে বাসের ড্রাইভার আর আমাকে গালিগালাজ করা শুরু করে। ও মদ খেয়ে এসেছিল। তারপর ও আমাকে পেটাতে শুরু করে। পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে আমার। এমনকি আমার ছেলেকেও ছাড়েনি, ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে তাকে। আমার ছেলে পিঠে ব্যথা পেয়েছে।’
বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন দীপক কুমার। কিন্তু পুলিশ তাকে সেভাবে নাকি সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। কারণ ক্রিকেট ছাড়ার পর প্রভীন কুমার এখন রাজনীতি করছেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা তিনি। এজন্যই পুলিশ তাকে কিছুই করছে না। অবশ্য উত্তর প্রদেশের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট অখিলেশ নারায়ণ সিং ন্যায্যবিচার হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, ‘ওরা দুজনেই প্রতিবেশী। আমরা ব্যাপারটা জানতে পেরেছি। তাদের দুজনের বক্তব্যই পেয়েছি আমরা। মেডিকেল প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছি। আমরা দেখছি কী করা যায়।’
বার্তাবাজার/কে.জে.পি