৯২ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই নাঈম হাসানের বলে বিদায় নেন হাজরাতুল্লা জাজাই। জাজাইয়ের বিদায়ের পর মাঠে আসেন আফিফ হোসাইন দ্রুব। এখন দেখার বিষয় সহজ টার্গেট পার করতে গিয়ে কোনো অঘটনের জন্ম দেয় কিনা রাজশাহী। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাজশাহীর সংগ্রহ ৩.২ ওভারে ১ উইকেটে ১৭ রান।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে আসেন সিলেটের দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান রনি তালুকদার এবং জনসন চার্লস। শুরুতেই রাজশাহী বোলারদের উপর চওড়া হন রনি-চার্লস। তবে এই দুজনকে বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে দেননি রাজশাহীর কাপ্তান আন্দ্রে রাসেল। দলীয় ৩৫ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১৯ রান নিয়ে রাসেলের বলে আউট হয়ে বিদায় নেন রনি।
রনির পরে একই পথে হাঁটেন জনসন চার্লস এবং জীবন মেন্ডিস। দলীয় ৪১ রানের মাথায় ১৬ রান নিয়ে চার্লস এবং ০ রান নিয়ে বিদায় নেন জীবন মেন্ডিস। দুজনই বিদায় নেন অলক কাপালির বলে। দুজনের বিদায়ের ফলে চাপে পড়ে সিলেট। দলের হাল ধরতে মাঠে আসেন মিঠুন-মোসাদ্দেক।
এই দুজনের হাত দরে ভালোই এগিয়ে যাচ্ছিলো সিলেটের ইনিংস। কিন্তু হটাৎ খেয়ে হারিয়ে ফেলেন মিঠুন। বোপারার বলে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে হযরতউল্লাহ জাজাইয়ের হাতে তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন মিঠুন।
মিঠুনের পর বিদায় নেন কাপ্তান মোসাদ্দেকও। ব্যাক্তিগত ২০ রান নিয়ে বোপারার বলে উইকেটের পিছনে লিটনের হাতে তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক। যার ফলে বড় স্কোরের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় সিলেটের।
মিঠুন-মোসাদ্দেকের পর একে একে বিদায় নেন নাজমুল হোসাইন মিলন(১০), নাঈম হাসান(১), ক্রিসমার সান্টোকি(০)। শেষ পর্যন্ত ১৫.৩ ওভারে ১০ উইকেটে ৯১ রান সংগ্রহ করে সিলেট। যার ফলে রাজশাহীর সামনে টার্গেট দাঁড়ায় মাত্র ৯২ রান। রাজশাহীর পক্ষ্যে ফরহাদ রেজা এবং রবি বোপারা নেন সমান ২টি উইকেট করে। অলক কাপালি নেন ৩ উইকেট এবং আন্দ্রে রাসেল নেন ১ টি উইকেট
সিলেট থান্ডার্স একাদশ
রনি তালুকদার, জনসন চার্লস, মোহাম্মদ মিঠুন, জীবন মেন্ডিস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম অপু, নাজমুল হোসেন মিলন, এবাদত হোসেন, ক্রিসমার সান্টোকি, নাইম হাসান ও নবীন উল হক।
রাজশাহী রয়্যালস একাদশ
হযরতউল্লাহ জাজাই, লিটন দাস, শোয়েব মালিক, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ, মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি।
বার্তাবাজার/কেএ