রূপুপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক প্রকল্পে আসবাবপত্র ক্রয়ে ৩১ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে দুদক। এদের মধ্যে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকোশলী মাসুদুল আলম রয়েছেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, শুধু রূপপুর নয় সব মেগা প্রকল্পে নজর রাখা হচ্ছে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, রূপপুর পরমানু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকল্পের টেন্ডার ডাকার আটমাস আগেই মালামাল কেনে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। যেখানে আবাসিক প্রকল্পে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা।
একইভাবে টেলিভিশন, খাট, রেফ্রিজারেটর, বৈদ্যুতিক চুলানসহ বিভিন্ন আসবাব কেনাকাটা ও ভবনে তুলতে অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়। এরইমধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।
যেখানে চুক্তিমূল্যের চেয়ে ৩৬ কোটি ৪০লাখ টাকা বেশি সরকারি কোষাগারে ফেরত আনতে সুপারিশসহ বিষয়টি দুদকে পাঠানো হয়। এরই প্রেক্ষিতে দুদকের প্রাথমিক তদন্তেই ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকার দু্র্নীতি প্রমাণ পায় দুদক। বৃহস্পতিবার ১৩ জনকে আসামি করে করা চার মামলায় রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে গণপূর্তের ১১ প্রকৌশলী ও দুই ঠিকাদারকে গ্রেফতার করে দুদক।
দুদক চেয়ারম্যান জানান, শুধু রূপপুর নয়, মেগা প্রকল্পগুলোতে নজর রেখেছে দুদক। এছাড়া তদন্তে আরো যাদের জড়িত পাওয়া যাবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে মামলায়।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, মেগাপ্রকল্পগুলো আমাদের বিভিন্ন অফিসারদের ভাগ করে দেয়া আছে। তারা নজরদারি করছেন। আমরা অনিয়মকে ছাড় দিব না।
এ সময় তিনি জানান, ভর্তি বাণিজ্য করে কেউ রক্ষা পাবে না। অবারো অভিযান চলবে কোচিং বানিজ্যে জড়িত অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে।
বার্তাবাজার/এমকে