১৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে ওপনিংয়ে মাঠে আসেন আফগান ব্যাটসম্যান শেহজাদ এবং ভারত সিরিজে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা মোহাম্মদ নাঈম। কুমিল্লার বোলারদের উপর শুরুতে চওড়া হওয়ার চেষ্টা করেন শেহজাদ।
যদিও সেই চেষ্টা কিছু সময়ের জন্যে। দলীয় ১৫ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১৩ রান নিয়ে মুজিবরের বলে আউট হয়ে বিদায় নেন শেহজাদ। শেহজাদের পর আর কোন ব্যাটসম্যান দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারান রংপুর রেঞ্জার্স। জহিরুল ইসলাম(৫), ফজলে মাহমুদ(১), লুইস গ্রেগরি(০),মোহাম্মদ নবি(১১),সঞ্জিত সাহা(০), মোহাম্মদ নাঈম(১৭), তাসকিন আহমেদ(১)।
শেষ পর্যন্ত ১৪ ওভারে ৯ উইকেটে ৬৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর রেঞ্জার্স। রিটায়ার্ড হার্ড হয়ে মাঠে নামেনি জাকির হাসান। যার ফলে ১০৫ রানে জয়লাভ করে কুমিল্লা। আর প্রথম ম্যাচে হারের স্বাদ পায় রংপুর।
কুমিল্লার পক্ষ্যে আল-আমিন নেন ৩ উইকেট, ১টি উইকেট করে নেন মুজিবর রহমান এবং আবু হায়দার রনি। ২টি উইকেট করে উইকেট নেন সৌম্য এবং সানজামুল।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্সের বোলারদের তোপে রীতিমত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল দলটি। কিন্তু অধিনায়ক দাসুন শানাকা শেষটায় এসে ভয়ংকর চেহারায় হাজির হলেন।
২৩ বলে ফিফটি, তারপর ইনিংসের একদম শেষ ওভার পর্যন্ত দলকে একাই টেনে নিলেন লঙ্কান এই অলরাউন্ডার। মিরপুরে তার বিধ্বংসী ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৩ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা। ইনিংসের প্রথম বলেই আঘাত হানেন রংপুর অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি। ইয়াসির আলি রাব্বিকে গোল্ডেন ডাকে বোল্ড করে ফেরান আফগান এই অফস্পিনার। সেই ধাক্কা কিছুটা সামলে ওঠেন সৌম্য সরকার আর মাহিন্দা রাজাপাকসে (১৫)।
১৮ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ২৬ রানের এক ঝড় তুলে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন সৌম্য। ডেভিড মালানও টি-টোয়েন্টির মাপে খেলতে পারেননি। ২৩ বলে করেন ২৫ রান। সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ১৯।
৮৯ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকছিল কুমিল্লা। মনে হচ্ছিল, ১৩০-১৪০ করাই দায় হয়ে পড়বে। সেখান থেকে দান ঘুরিয়ে দেন শানাকা। কুমিল্লা অধিনায়ক ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ছিলেন উইকেটে। ৩১ বলে ৩ বাউন্ডারির সঙ্গে ৯টি ছক্কার মারে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
রংপুর রেঞ্জার্সের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মোস্তফিজ, সঞ্জিত সাহা আর লুইস গ্রেগরি। মোস্তাফিজ প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় ২টি উইকেট নেয়া মোস্তাফিজ শেষ ওভারেই দেন ২৬ রান।
বার্তাবাজার/কেএ