রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের দাবিতে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার করা মামলার শুনানি প্রথম দিনের মতো মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় বিচারের শুনানি শুরু হয়।
এ দিন আদালতের সামনে বিমানমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানিতে রোহিঙ্গাদের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের অভিজ্ঞ আইনজীবীরা অংশ নিয়েছেন। নেদারল্যাণ্ডের হেগে স্থাপিত আন্তর্জাতিক আদালতে ১৫ সদস্যের বিচারক প্যানেল রয়েছে। এছাড়াও গাম্বিয়া ও মিয়ানমারের পক্ষে দুইজন অ্যাডহক বিচারক রয়েছেন।
১৫ বিচাকের মধ্যে রয়েছেন:
১. আদালতের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সোমালিয়ার বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।
২. ভাইস প্রেসিডেন্ট চীনের বিচারপতি ঝু হানকিন।
৩. স্লোভাকিয়ার বিচারপতি পিটার টমকা (সদস্য)।
৪. ফ্রান্সের বিচারপতি রনি আব্রাহাম (সদস্য)।
৫. মরক্কোর মোহাম্মদ বেনুনা (সদস্য)।
৬. ব্রাজিলের অ্যান্টোনিও অগাস্টো কানকাডো ত্রিনাদে (সদস্য)।
৭. যুক্তরাষ্ট্রের জোয়ান ই ডনোহু (সদস্য)।
৮. ইতালির গর্জিও গাজা (সদস্য)।
৯. উগান্ডার জুলিয়া সেবুটিন্দে (সদস্য)।
১০. ভারতের দলভির ভান্ডারি (সদস্য)।
১১. জ্যামাইকার প্যাট্রিক লিপটন রবিনসন (সদস্য)।
১২. অস্ট্রেলিয়ার রির্চাড ক্রর্ফোড (সদস্য)।
১৩. রাশিয়ার কিরিল গিভরগিয়ান (সদস্য)।
১৪. লেবাননের নওয়াফ সালাম (সদস্য)।
১৫. জাপানের ইউজি ইওয়াসাওয়া (সদস্য)।
এছাড়া গাম্বিয়া ও মিয়ানমারের পক্ষে অ্যাডহক বিচারক রয়েছেন যথাক্রমে;
১. গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু।
২. মিয়ানমারের প্রফেসর ক্লাউস ক্রেস।
বার্তাবাজার/কেএ