হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্তে ভারতীয় চা পাতা চোরাচালান বন্ধে সীমান্ত এলাকায় টাস্কর্ফোস গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান। জনপ্রতিনিধি,পুলিশ, বিজিবি’র সাথে চা বাগানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা থাকছেন কমিটিতে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও সীমান্তবর্তী চা বাগান গুলোতে কমিটি হচ্ছে।
সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধ এর লক্ষে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া চা বাগান কোম্পানি বাংলোতে এক বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভায় জেলা প্রশাসক এ ঘোষনা দেন।
সম্প্রতি সময়ে ভারতীয় নিন্মমানের চা পাতা বাংলাদেশে প্রবেশের ফলে দেশীয় চা বাগান গুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চা বাগান মালিকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উপর মহলে প্রতিনিয়ত আলোচনা চলছে। এই অবস্থায় চা পাতা পাচার বন্ধ না হলে, বাংলাদেশের চা শিল্প ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে ও চন্ডিছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলামের স ালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্যাহ পিপিএম, বিজিবি’র ৫৫ ব্যাটালিয়ন এর কমান্ডিং অফিসার লে.কর্ণেল জাহিদুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া ও মর্জিনা আক্তার, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদির লস্কর, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনুভা নাশতারান, চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সত্যজিত রায় দাশ, চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোঃ নাজমুল হক, সাটিয়াজুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রশিদ মাষ্টার, দেওরগাছ ইউপি চেয়ারম্যান চৌধুরী শামসুন্নাহার, আহম্মদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু, পাইকপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ সামসুজ্জামান শামীম, দেউন্দি চা বাগানের ম্যানেজার রিয়াজ আহমেদ, নালুয়া চা বাগানের ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম, আমু চা বাগানের ম্যানেজার হাবিবুর রহমান, চানপুরঁ চা বাগানের ম্যানেজার শামীম হুদা ও তেলিয়াপাড়া চা বাগান ম্যানেজার সমত কুমার, সাংবাদিক নুরুল আমিন, আব্দুর রাজ্জাক রাজু, আজিজুল হক নাসির ও মীর জুবায়ের আলম প্রমুখ।
সভায় বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র ১২টি বিওপি’র কমান্ডার ও সুবেদার উপস্থিত ছিলেন।
বার্তা বাজার/ডব্লিও.এস