কোটালীপাড়ায় ব্রীজ নির্মাণে ঠিকাদারের অবহেলায় এলাকাবাসীর ভোগান্তি, ইরি চাষে বিঘ্ন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় একটি ব্রীজ নির্মাণে ঠিকাদারের অবহেলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকাবাসী, বিঘ্নিত হচ্ছে হাজার হাজার বিঘা ইরি চাষ। উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের- মাচারতারা, হিজল বাড়ী, লেবুবাড়ী, ধারাবাশাইল সহ আশপাশের গ্রাম গুলির কৃষকরা এ ভোগান্তির শিকার হয়। সরজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণ মাচারতারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রীজ নির্মাণে বাধের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে এসব গ্রামের কৃষকরা ইরি ধানের বীজতলা বানাতে পারছে না। তাতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে হাজার হাজার বিঘা জমির ইরি চাষ।

এছাড়াও নদী বেষ্টিত এলাকা হওয়ায় নৌ-যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় পোল্ট্রি ও মৎস খামারিরা ফিড, মাছ, মুরগি, ডিম সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি বহন করতে পারছে না। ধারাবাশাইল ও নয়াকান্দি তরুর বাজারের ব্যাবসায়িরা বহন করতে পারছেন না তাদের পণ্য। অন্য দিকে ব্রীজের গোড়ায় মাটি না থাকার কারণে বিদ্যালয়ের কমলমতি শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসীর যাতায়াতে হচ্ছে সমস্যা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ঐ এলাকার কৃষক সহ সাধারণ জনতা।

নব নির্বাচিত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক- তুষার মধু, শিক্ষক- সুমন্ত সমাদ্দার, আঃ ওসমান গণি, মহসিন বেপারী, শামীম বেপারী, প্রিয় তাজ, অনিকা বিশ্বাস, চিত্ত মধু, মৃনাল কান্তি মধু, কুমদ মধু, ইসমাইল বেপারী সহ শত শত এলাকাবাসী সাংবাদিকদের বলেন- ব্রীজ নির্মাণের কাজ ২ মাস আগেই শেষ হয়েছে, টুঙ্গিপাড়ার ঠিকাদার টুটুল শেখকে আমরা বাধ অপসারণের জন্য বারবার অনুরোধ করছি, কিন্তু তিনি কর্ণপাত করেন না, এখন জলাবদ্ধতার কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ইরি আবাদ, খামারি-ব্যাবসায়ি সকলেই পড়েছে বিপাকে, এই বিশাল বাধ অপসারণ করে এলাকাবাসীকে ভোগান্তি মুক্ত করার জন্য আমরা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এ বিষয়ে ব্রীজটির নির্মাণ কারী ঠিকাদার টুটুল শেখের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান- নিউজ করলে বাধ অপসারণের কাজ দেরিতে করব, কারণ আমার সিডিউলে সময় আছে।

বার্তা বাজার/এম.সি

 

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর